English Version

সম্মানিত অভিভাবক/অভিভাবিকাদের প্রতি

১। প্রকৃত অভিভাবক/অভিভাবিকা “দৈনিক পাঠের বিবরণী” বইয়ে নিজের পরিচিতি ও নমুনা স্বাক্ষর দেবেন। পিতা-মাতা জীবিত থাকা সত্ত্বেও দেখা যায় গৃহ-শিক্ষক/চাচা-মামা, বড় ভাই এদেরকে অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পিতা-মাতাই ছাত্রদের প্রকৃত অভিভাবক-অভিভাবিকা।
 
২। প্রতিদিন আপনার পোষ্য/ছেলে বিদ্যালয় থেকে বাসায় ফেরার পর সেদিন শ্রেণিতে শিক্ষক কোন পিরিয়ডে কি বিষয় পড়িয়েছেন তা দেখে ছেলের উপস্থিতি ও পাঠসমূহ সম্বন্ধে নিশ্চিত হউন এবং সে অনুযায়ী আপনার ছেলেকে প্রস্তুত করুন।
 
৩। আপনার পোষ্য/ছেলে কার্য দিবসে ঠিক সময়ে স্কুলে আসে কিনা এবং ছুটির পরে বাসায় ঠিক সময়ে ফেরে কিনা এবং বাসায় যতক্ষন থাকে ততক্ষন নিয়মিত লেখাপড়া করে কিনা তা নিজেই লক্ষ্য রাখুন।
 
৪। সাময়িক ও শ্রেণি পরীক্ষাগুলোতে আপনার পোষ্য/ছেলে নিয়মিত উপস্থিত থাকছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখুন। কারণ শ্রেণি পরিক্ষা সাময়িক পরীক্ষারই অংশ।
 
৫। “দৈনিক পাঠের বিবরণী” বই-এ ছাত্রদের আচারন-বিধি অভিভাবক অবশ্যই পাঠ করবেন এবং সে অনুযায়ী তাকে চলতে নির্দেশ দেবেন ও সাহায্য করবেন।
 
৬। ছাত্রদের লেখা-পড়া ও চারিত্রিক উন্নতি সম্পর্কে জানার জন্য প্রকৃত অভিভাবক অবশ্যই মাঝে মাঝে শ্রেণি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করবেন।
 
৭। ছাত্র সম্পর্কে যে কোন বিষয়ে আলোচনার জন্য আমন্ত্রনপত্র পাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ও সময়ে অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের সাথে দেখা করবেন।
 
৮। কোন ছাত্র অসুস্থতার কারনে স্কুলে আসতে না পারলে অতি-সত্ত্বর অভিভাবক একটি আবেদন পত্র শ্রেণি শিক্ষকের কাছে জমা দিয়ে যাবেন এবং সুস্থ হলে মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ অভিভাবক তাকে স্কুলে নিয়ে আসবেন।
 
৯। বেতন আদায়ের প্রথম তারিখে আপনার পোষ্য/ছেলে যাতে নিয়মিত বেতন পরিশোধ করে সেদিকে দৃষ্টি রাখুন।
 
১০। কোন ছাত্র পরীক্ষায় ফেল করলে অন্য শ্রেণিতে তার “প্রমোশনের” ব্যাপারে কোন প্রকার তদবির করা চলবে না।
 
১১। অভিভাবক নিজে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দেবেন এবং ছুটির পর ঠিক সময়ে নিয়ে যাবেন, বিদ্যালয়ে অবস্থান করবেন না।
 
১২। আপনার পোষ্য/ছেলের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন এবং খারাপ পরিবেশ ও কু-সঙ্গ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।
 
১৩। মনে রাখতে হবে অভিভাবক ও শিক্ষক/শিক্ষিকার সম্মিলিত প্রয়াসের ফলে পাঠোন্নতি ও সুন্দর চরিত্র গঠন সম্ভব।
 
১৪। শিক্ষক শিক্ষার্থীর মানস-পিতা – এ কথা স্মরণ রেখে পিতা-মাতা/অভিভাবক/অভিভাবিকা স্বীয় সন্তানের পাঠোন্নতি ও চরিত্র গঠনের ব্যাপারে শিক্ষককে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রাখবেন-এটাই কাম্য।